C4D মূলত তার কার্যক্রম চালাতে বিভিন্ন পদ্ধতি ও বিস্তৃত চ্যানেল ব্যবহার করে। যোগাযোগের সরঞ্জাম কি হবে তা নির্ধারন করবে কোন নির্দিষ্ট দর্শক বা সাংস্কৃতিক পরিবেশ বা প্রেক্ষাপটে কাজ করা হচ্ছে তার উপরে। যেমনঃ গ্রামাঞ্চলে জলবায়ু পরিবর্তনের সাথে মানিয়ে নেয়ার পদ্ধতি জানাতে এক রকমের যোগাযাগ সরঞ্জাম প্রয়োজন, আবার শহরে শিশুদের সহিংসতা প্রতিরোধে প্রচারাভিযানের জন্য অন্য রকমের যোগাযোগ সরঞ্জাম প্রয়োজন।
যোগাযোগের সরঞ্জামকে আমরা তিনটি ধরনে ভাগ করতে পারি –
(১) মানুষের মধ্যে প্রত্যক্ষ যোগাযোগ
(২) মিডিয়ার মাধ্যমে যোগাযোগ
(৩) নয়া মাধ্যম / মাল্টিমিডিয়া যোগাযোগ
মোটা দাগে এই তিন ভাগে যোগাযোগের সরঞ্জামগুলোকে ভাগ করা যায় –
আরও পড়ুন -
No comments:
Post a Comment